সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রেডমি নোট ৯ এর বিস্তারিত | Redmi Note 9 in Bangla






৩০ এপ্রিল, ২০২০ এ শাওমির ঘোষনা আসে এই ফোনটি নিয়ে। কিন্তু ফোনটি মার্কেটে আসে মে মাসের শেষের দিকে৷ করোনার কারনে ফোনটি বাংলাদেশে আসতে আরো সময় নেয়।

বর্তমানে বাংলাদেশে আন অফিশিয়াল ভাবে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে৷ বাংলাদেশে অফিশিয়াল ভাবে এখনো ফোনটি আসার তথ্য নেয়৷


চলুন ফোনটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

শাওমি নোট সিরিজের ফোন বের করে এদের রেডমি নামে সাব ব্যান্ড৷ এদের কাজ হল এই নোট সিরিজ নিয়ে কাজ করা৷ প্রতিবছর নোট সিরিজের ১/২ টা ফোন বাজারে আসে। সাথে সেই ফোন গুলার বিভিন্ন ভার্সন (যেমন - র‍্যাম ও রমের ভিত্তিতে) বাজারে আসে। এই বছরও তারা রেডমি সিরিজের নোট ৯ বাজারে আনে। এই বছর হয়তো এই সিরিজের আরো ফোন বাজারে আসবে।

ডিস্পলেঃ ফোনটির ডিসপ্লে সাইজ ৬.৫৩ ইঞ্চি। এতে আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। এই ফোনের ডিসপ্লে প্রটেকশন হিসেবে আছে গরিলা গ্লাস ফাইভ। স্ক্রিন আর ফোনের বডির অনুপাত প্রায় ৮৩.৫%।

এই ফোনের ডিসপ্লে ফুলএইচডি মানে ১০৮০পি। এই ডিস্পলের দৈর্ঘ্য ১৯.৫ একক এবং প্রস্থ হল ৯ একক। এত বড় ফোনের কারনে এই ফোনের পিপি আই ডেনসিটি ৩৯৫। যা একটু কম।

প্লাটফর্মঃ এই ফোনের অপারেটিং সিস্টেম এন্ড্রয়েড ১০ এবং এর ইউজার ইন্টারফেস মি ইউ আই ১১।

এই ফোনের চিপসেট মিডিয়াটেক হিলিও জি৮৫ (এই প্রসেসর এর সাইজ ১২ ন্যানোমিটার)
শাওমি সাধারণত স্ন্যাপড্রাগন ব্যবহার করে। কিন্তু এই ফোনে কেন মিডিয়াটেক ব্যবহার করলো? শাওমিই জানে। এই প্রসেসর এর কোর আট টি। জিপিও মালি-জি৫২।



মেইন ক্যামেরাঃ পেছনে চার ক্যামেরা সেটাপ আছে।
১.  মেইন ক্যামেরা ৪৮ মেগাপিক্সেলের
২. ৮ মেগাপিক্সেলের আলট্রাওয়াইড
৩. ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো
৪. ২ মেগাপিক্সেলের ডেপথ ক্যামেরা

এই মেইন ক্যামেরা দিয়ে ১০৮০পি ভিডিও করা যাবে। যার সর্বোচ্চ এফপিএস পাওয়া যাবে ৩০।

সামনের সেলফি ক্যামেরাঃ এই ফোনে সামনে ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে। যার এপাচার হচ্ছে f/2.3. এইচ ডিয়ার ও প্যানারোমা সাপোর্ট করে। ভিডিও করা যাবে ১০৮০ পি এবং ৩০ ফ্রেইম পার সেকেন্ডে ।


সাউন্ডঃ ফোনে লাউডস্পিকার আছে। সেই সাথে সবার প্রিয় ৩.৫ মিলিমিটার জ্যাক পোর্ট আছে যা দিয়ে আপনার তারযুক্ত ইয়ারফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

নেটওয়ার্ক সিস্টেমঃ ওয়াইফাই আছে ৮০২.১১ভার্সনের। সেই সাথে ওয়াইফাই হটস্পট আছে। ব্লুটুথ আছে যার ভার্সন ৫. জিপিএস প্রযুক্তি আছে৷ ফাইল শেয়ার ও পেমেন্ট সিস্টেম এর জন্য আছে এনএফসি। ইনফ্রারেড পোর্ট সুবিধা আছে, যার মাধ্যমে ফোন কে রিমোট হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।

চার্জিং পোর্ট এ আছে টাইপ সি। কিন্তু ইউএসবি ভার্সন হল ২৷

এই ফোন ৪ জি পর্যন্ত সাপোর্ট করে।

সেন্সরসমূহঃ ফিংগারপ্রিন্ট সেন্সর(পেছনে) আছে যা দিয়ে ফোন আনলক করতে পারবেন। গুগুল প্লে স্টোরে কেনাকাটা করলে কনফার্ম হিসেবে ফিংগারপ্রিন্ট দিতে পারবেন।

আরো আছে, এক্সিলারেটর, জায়রো, প্রক্সিমিটি ও কম্পাস সেন্সর৷


ব্যাটারিঃ ব্যাটারি হিসেবে আছে ৫০২০ মিলি এম্পিয়ার ব্যাটারি৷ এই ব্যাটারি ১৮ ওয়াট পর্যন্ত ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে। রিভার্স চার্জ সুবিধা আছে। চাইলে আপনি প্রিয়জনের ফোন আপনার ফোন দিয়ে করে দিতে পারবেন।

বেঞ্চমার্কঃ বেঞ্চমার্ক দিয়ে ফোনের সত্যিকারের পার্ফরম্যান্স বুঝা যায় নাহ৷ তবে একটা ধারনা পাওয়া যায়৷

আন্টুটু বেঞ্চমার্ক পাওয়া গেছেঃ ২০০৪১৪৷ ভার্সন ৮।
গিগবেঞ্চে সিংগেল কোর পার্ফরম্যান্স পাওয়া গেছেঃ ১২৯২।


স্ট্যানবাই অবস্থায় এই ফোনের ব্যাটারি ১২৫ ঘন্টা পর্যন্ত সার্ভিস দিবে। এই সময় কিছুটা হের ফের হতে পারে৷


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সিজ্জিন (Sijjin) vs ইল্লিয়িন (Illiyin) পার্থক্য Difference

Sijjin (سِجِّين) এবং Illiyin (عِلِّيِّين) —এ দুটি শব্দ কুরআনে এসেছে এবং দুটোই মানুষের আমলনামা সংরক্ষণ সম্পর্কিত স্থানকে নির্দেশ করে। ১. সিজ্জিন (Sijjin) সিজ্জিন হলো পাপীদের (কাফের, মুনাফিক ও দুরাচারীদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান। এটি সাত তলদেশের নীচে এক কারাগার বা অন্ধকার জগতে অবস্থিত বলে উল্লেখ রয়েছে। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:৭-৯) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْفُجَّارِ لَفِي سِجِّينٍ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا سِجِّينٌ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ" অর্থ: "না, পাপীদের আমলনামা সিজ্জিনে সংরক্ষিত। তুমি কি জানো, সিজ্জিন কী? এটি এক লিখিত দলিল।" সিজ্জিনকে একটি কারাগার, সংকীর্ণ স্থান, বা নিচের স্তরে অবস্থিত এক অন্ধকার দুনিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। ২. ইল্লিয়িন (Illiyin) ইল্লিয়িন হলো সৎকর্মশীলদের (মুমিন ও নেককারদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান । এটি সপ্তম আসমানের ওপরে সংরক্ষিত এক সম্মানিত স্থান। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:১৮-২১) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْأَبْرَارِ لَفِي عِلِّيِّينَ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا عِلِّيُّونَ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ ۝ يَش...

জাভা ফিডব্যাক এবং স্ট্রাকচার্ড কনকারেন্সি: বিবর্তনের গল্প

Introduction এই ভিডিওর নির্দিষ্ট অংশে জাভা ল্যাঙ্গুয়েজ আর্কিটেক্ট ব্রায়ান গোয়েটজ (Brian Goetz) আলোচনা করেছেন কীভাবে জাভার নতুন ফিচারগুলো তৈরি হয় এবং এতে সাধারণ ডেভেলপারদের মতামতের গুরুত্ব কতটুকু। বিশেষ করে Structured Concurrency -এর মতো জটিল ফিচারগুলো কেন বারবার 'Preview' অবস্থায় থাকে এবং কীভাবে কমিউনিটির ফিডব্যাক সেই ফিচারগুলোকে আরও নিখুঁত করতে সাহায্য করে, তা এখানে সহজভাবে বোঝানো হয়েছে। ১. ভালো ফিডব্যাক আসলে কী? ভিডিও রেফারেন্স: [ 34:53 ] ব্রায়ান গোয়েটজ বলছেন যে, জাভা টিম যখন কোনো নতুন ফিচারের খসড়া (Draft) বা প্রস্তাব (JEP) প্রকাশ করে, তখন তারা এমন কিছু জানতে চায় যা তারা নিজেরা আগে ভাবেনি। বিস্তারিত: একজন ডেভেলপার হিসেবে আমরা যখন কোনো নতুন ফিচার দেখি, আমাদের প্রথম প্রতিক্রিয়া হয় সেটার Syntax বা লেখার ধরন নিয়ে। কিন্তু ব্রায়ানের মতে, "এই লেখাটা কেন এমন হলো?" বা "এটা কোটলিন বা স্কালা-র মতো কেন নয়?"—এই ধরনের ফিডব্যাক খুব একটা কাজে আসে না। আসল দামী ফিডব্যাক হলো সেইটা, যা নতুন কোনো বাস্তব সমস্যা (Edge Case) তুলে ধরে। আমার চিন্তা: আপনি যদি কেবল দ...

[Master Post] Machine Learning for Everybody – Full Course

URL: https://youtu.be/i_LwzRVP7bg?t=0 Title: Machine Learning for Everybody – Full Course Topics:- মেশিন লার্নিংয়ের হাতেখড়ি এবং গুগল কোল্যাব সেটআপ মেশিন লার্নিংয়ের খুঁটিনাটি ও ফিচারের সহজ পাঠ Classification বনাম Regression এবং মডেল ট্রেনিংয়ের সহজ পাঠ মেশিন লার্নিংয়ের জন্য ডেটা তৈরি এবং প্রসেসিং করার সহজ গাইড K-Nearest Neighbors (KNN) থিওরির সহজ পাঠ কে-নিয়ারেস্ট নেইবারস (KNN) ইমপ্লিমেন্টেশন সহজ বাংলায় নেইভ বেইজ থিওরি এবং এর প্রয়োগ: সহজ পাঠ লজিস্টিক রিগ্রেশন: থিওরি ও ইমপ্লিমেন্টেশন SVM থিওরি এবং ইমপ্লিমেন্টেশন সহজ পাঠ নিউরাল নেটওয়ার্ক এবং টেনসরফ্লোর সহজ পাঠ টেনসরফ্লো দিয়ে নিউরাল নেটওয়ার্ক ক্লাসিফিকেশন শেখার সহজ গাইড লিনিয়ার রিগ্রেশন: সহজ কথায় মূল ধারণা ও গণিত লিনিয়ার রিগ্রেশন: সহজ ভাষায় খুঁটিনাটি ও হাতে-কলমে শেখা লিনিয়ার রিগ্রেশন এবং নিউরন মডেলের সহজ পাঠ TensorFlow দিয়ে রিগ্রেশন নিউরাল নেটওয়ার্ক তৈরি - পার্ট ১ টেনসরফ্লো দিয়ে রিগ্রেশন নিউরাল নেটওয়ার্ক তৈরি - পার্ট ২ আনসুপারভাইজড লার্নিং: কে-মিনস ক্লাস্টারিংয়ের সহজ পাঠ Principal C...