সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

keno amar esb enterprise service bus lagbe? ami t direct call korte pare or queue use kore async call korte pari

খুব ভালো প্রশ্ন — এটা বোঝা মানে তোমার enterprise-level architecture ধারণা অনেক গভীর হবে।

চলো ধাপে ধাপে দেখি:


🔹 প্রথমে মূল ধারণা

ESB (Enterprise Service Bus) হলো একটা middleware layer — যেটা তোমার বিভিন্ন service, system, application বা protocol-এর মধ্যে communication standardize করে।

মানে এটা এমন এক "smart connector" যেটা এক system থেকে আরেক system-এ data পাঠানো, format রূপান্তর, routing, retry, monitoring ইত্যাদি সামলায়।


🔹 তুমি বলেছো:

"ami to direct call korte pari or queue use kore async call korte pari"

ঠিক বলেছো 👍 কিন্তু নিচের সমস্যাগুলো তখন দেখা দেয় ⬇️

| বিষয় | Direct/Queue Approach | ESB Approach | | --- | --- | --- | | Integration complexity | প্রতিটা সার্ভিসকে আলাদা আলাদা ভাবে configure করতে হয় (point-to-point)। বেশি সার্ভিস হলে maintenance nightmare হয়। | এক জায়গায় centralized integration logic থাকে, যা পরিবর্তন, monitor, manage করা সহজ। | | Protocol mismatch | ধরো এক সিস্টেম SOAP, আরেকটা REST, আরেকটা JMS — direct করলে conversion আলাদা আলাদা implement করতে হয়। | ESB internally protocol mediation করে দেয়। | | Data transformation | JSON ↔ XML ↔ CSV convert করা লাগলে প্রতিটা সার্ভিসে লজিক লিখতে হয়। | ESB তে transformation rule এক জায়গায় define করা যায়। | | Routing and orchestration | কাকে কখন call হবে, fallback কীভাবে হবে — manually handle করতে হয়। | ESB dynamic routing, content-based routing, orchestration দেয়। | | Error handling / Retry | প্রত্যেক সার্ভিসে আলাদা retry logic maintain করতে হয়। | ESB এক জায়গায় common error handling rule enforce করে। | | Monitoring | অনেক distributed log থাকে। | ESB central monitoring, logging, auditing দেয়। |


🔹 সংক্ষেপে বললে

🧩 Direct Call / Queue

👉 সহজ, lightweight architecture — ভালো choice microservices বা small system-এর জন্য।

👉 কিন্তু grow করলে complexity বেড়ে যায় exponentially।

🧩 ESB

👉 জটিল enterprise system যেখানে অনেক heterogeneous service আছে, সেখানেই shine করে।

👉 তুমি একটি unified integration layer পেয়ে যাও — যা governance, scalability, transformation, monitoring — সব এক জায়গায় দেয়।


🔹 উদাহরণ দিই

ধরা যাক তোমার সিস্টেমে আছে:

  • Billing Service (SOAP)
  • Inventory Service (REST)
  • Payment Gateway (XML)
  • Notification System (RabbitMQ queue)

তুমি direct call করলে:

  • Billing → Payment → Notification সব connection manually handle করতে হবে
  • Format convert করতে হবে (XML ↔ JSON)
  • Error হলে retry, logging, version change — manually করতে হবে

ESB ব্যবহার করলে:

  • Billing শুধু ESB-কে ডাকে → ESB route করে Payment-এ, transform করে XML → JSON, success হলে Notification queue তে পাঠায়।
  • সব কিছু configurable XML/YAML policy দিয়ে করা যায়, code নয়।

🔹 কবে ESB দরকার

✅ যখন সিস্টেমে অনেক ভিন্নধর্মী service integrate করতে হয়

✅ যখন protocol / format ভিন্ন হয়

✅ যখন তুমি monitoring, retry, orchestration চাই centrally

✅ যখন তোমার enterprise governance দরকার

❌ ছোট microservice architecture এ দরকার নেই (Spring Cloud, Kafka, RabbitMQ যথেষ্ট)


চাইলে আমি একটা diagram সহ দেখাতে পারি — direct vs ESB architecture side-by-side।

তুমি কি সেটা চাও?

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সিজ্জিন (Sijjin) vs ইল্লিয়িন (Illiyin) পার্থক্য Difference

Sijjin (سِجِّين) এবং Illiyin (عِلِّيِّين) —এ দুটি শব্দ কুরআনে এসেছে এবং দুটোই মানুষের আমলনামা সংরক্ষণ সম্পর্কিত স্থানকে নির্দেশ করে। ১. সিজ্জিন (Sijjin) সিজ্জিন হলো পাপীদের (কাফের, মুনাফিক ও দুরাচারীদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান। এটি সাত তলদেশের নীচে এক কারাগার বা অন্ধকার জগতে অবস্থিত বলে উল্লেখ রয়েছে। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:৭-৯) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْفُجَّارِ لَفِي سِجِّينٍ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا سِجِّينٌ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ" অর্থ: "না, পাপীদের আমলনামা সিজ্জিনে সংরক্ষিত। তুমি কি জানো, সিজ্জিন কী? এটি এক লিখিত দলিল।" সিজ্জিনকে একটি কারাগার, সংকীর্ণ স্থান, বা নিচের স্তরে অবস্থিত এক অন্ধকার দুনিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। ২. ইল্লিয়িন (Illiyin) ইল্লিয়িন হলো সৎকর্মশীলদের (মুমিন ও নেককারদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান । এটি সপ্তম আসমানের ওপরে সংরক্ষিত এক সম্মানিত স্থান। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:১৮-২১) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْأَبْرَارِ لَفِي عِلِّيِّينَ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا عِلِّيُّونَ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ ۝ يَش...

তারাবিহ সমগ্র - প্রথম আলো

রামাদান ২০২৪ উপলক্ষে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন - খতমে তারাবিহ'র সূরা গুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা'র লিংক  নিচে দেওয়া হলো।  লিংকে ক্লিক করলেই আপনাকে আলোচনা তে নিয়ে যাবে। তারাবিহ: ১ | একটি খুন ও গাভি নিয়ে বনি ইসরাইলের বাড়াবাড়ি তারাবিহ: ২ | নারীর মর্যাদা ও অধিকার এবং অলৌকিক তিন ঘটনা তারাবিহ: ৩ | যে ১৪ নারীকে বিয়ে করা হারাম তারাবিতে: ১২ | মহানবী (সা.)–এর আকাশভ্রমণ এবং আসহাবে কাহাফের কাহিনি

রেডমি নোট ৯ এর বিস্তারিত | Redmi Note 9 in Bangla

৩০ এপ্রিল, ২০২০ এ শাওমির ঘোষনা আসে এই ফোনটি নিয়ে। কিন্তু ফোনটি মার্কেটে আসে মে মাসের শেষের দিকে৷ করোনার কারনে ফোনটি বাংলাদেশে আসতে আরো সময় নেয়। বর্তমানে বাংলাদেশে আন অফিশিয়াল ভাবে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে৷ বাংলাদেশে অফিশিয়াল ভাবে এখনো ফোনটি আসার তথ্য নেয়৷ চলুন ফোনটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। শাওমি নোট সিরিজের ফোন বের করে এদের রেডমি নামে সাব ব্যান্ড৷ এদের কাজ হল এই নোট সিরিজ নিয়ে কাজ করা৷ প্রতিবছর নোট সিরিজের ১/২ টা ফোন বাজারে আসে। সাথে সেই ফোন গুলার বিভিন্ন ভার্সন (যেমন - র‍্যাম ও রমের ভিত্তিতে) বাজারে আসে। এই বছরও তারা রেডমি সিরিজের নোট ৯ বাজারে আনে। এই বছর হয়তো এই সিরিজের আরো ফোন বাজারে আসবে। ডিস্পলেঃ ফোনটির ডিসপ্লে সাইজ ৬.৫৩ ইঞ্চি। এতে আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। এই ফোনের ডিসপ্লে প্রটেকশন হিসেবে আছে গরিলা গ্লাস ফাইভ। স্ক্রিন আর ফোনের বডির অনুপাত প্রায় ৮৩.৫%। এই ফোনের ডিসপ্লে ফুলএইচডি মানে ১০৮০পি। এই ডিস্পলের দৈর্ঘ্য ১৯.৫ একক এবং প্রস্থ হল ৯ একক। এত বড় ফোনের কারনে এই ফোনের পিপি আই ডেনসিটি ৩৯৫। যা একটু কম। প্লাটফর্মঃ এই ফোনের অপারেটিং সিস্টেম এন্ড্রয়েড ১০ এবং এর...