সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Spring Boot's GraalVM Native Image Dockerize for Gradle Project

Native Image-কে ডকার ইমেজ (Docker Image) বানানোর জন্য Spring Boot-এর বিল্ট-ইন Cloud Native Buildpacks ইন্টিগ্রেশন ব্যবহার করাই সবচেয়ে সহজ এবং প্রস্তাবিত উপায়। এর জন্য আপনার কোনো ম্যানুয়াল Dockerfile লেখার প্রয়োজন নেই।

যেহেতু আপনি Gradle এবং Native Image প্লাগইন ব্যবহার করছেন, তাই শুধু একটি Gradle টাস্ক চালালেই হবে।


1. ⚙️ build.gradle কনফিগারেশন

আপনি যদি আগের ধাপে org.graalvm.buildtools.native প্লাগইনটি আপনার build.gradle ফাইলে যোগ করে থাকেন, তবে bootBuildImage টাস্কটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে Native Image বিল্ড করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়।

তবে, নিশ্চিত করতে এবং Docker Image-এর নাম ঠিক করার জন্য আপনি build.gradle ফাইলে এই কনফিগারেশনটি যুক্ত করতে পারেন:

bootBuildImage {
    // Docker Image-এর নাম সেট করুন 
    imageName = "my-registry/my-native-app:3.4.3" 
// Native Image তৈরির জন্য Buildpack-কে নির্দেশ দিন
// GraalVM Native Support প্লাগইন থাকলে এটি সাধারণত ডিফল্টভাবে Native Image তৈরি করে।
// আরও ছোট, buildpack-less base image ব্যবহারের জন্য (ঐচ্ছিক):
// builder = "paketobuildpacks/builder-jammy-buildpackless-tiny"
// buildpacks = ["paketobuildpacks/oracle", "paketobuildpacks/java-native-image"]

// আপনি চাইলে বিল্ড করার সময় পরিবেশের ভেরিয়েবল সেট করতে পারেন (ঐচ্ছিক)
environment = [
    BP_JVM_VERSION: '21',
    BP_NATIVE_IMAGE: 'true' 
]

}

2. 🚀 ডকার ইমেজ বিল্ড করা

আপনার সিস্টেমে Docker (বা একটি Docker-compatible রানটাইম, যেমন Rancher Desktop) চালু আছে নিশ্চিত করুন।

এরপর, Native Image সহ Docker Image তৈরি করতে নিচের কমান্ডটি চালান:

./gradlew bootBuildImage

এই কমান্ডের কাজ:

  1. Gradle প্রথমে আপনার প্রজেক্টের Native Executable তৈরি করবে (যেভাবে ./gradlew nativeCompile করে)।
  2. এরপর Spring Boot Gradle Plugin (Cloud Native Buildpacks ব্যবহার করে) স্বয়ংক্রিয়ভাবে:
    • একটি বেস Docker ইমেজ লোড করবে (সাধারণত Paketo Buildpacks-এর একটি ছোট লিনাক্স-ভিত্তিক ইমেজ)।
    • আপনার তৈরি Native Executable-টিকে সেই বেস ইমেজের মধ্যে কপি করবে।
    • প্রয়োজনীয় কনফিগারেশন সেট করে কমপ্লিট Docker Image তৈরি করবে।
  3. ইমেজটি আপনার স্থানীয় Docker ডেমনে সেভ হয়ে যাবে।

3. 🏃 ডকার ইমেজ চালানো

ইমেজটি তৈরি হওয়ার পর, আপনি এটিকে docker run কমান্ড দিয়ে চালাতে পারবেন। যদি আপনি উপরের কনফিগারেশনে imageName ব্যবহার করেন, তবে সেই নামটি ব্যবহার করুন:

docker run -p 8080:8080 my-registry/my-native-app:3.4.3

Native Image হওয়ায় অ্যাপ্লিকেশনটি JVM-এ চলার তুলনায় প্রায় তাৎক্ষণিকভাবেই (milliseconds-এ) চালু হবে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সিজ্জিন (Sijjin) vs ইল্লিয়িন (Illiyin) পার্থক্য Difference

Sijjin (سِجِّين) এবং Illiyin (عِلِّيِّين) —এ দুটি শব্দ কুরআনে এসেছে এবং দুটোই মানুষের আমলনামা সংরক্ষণ সম্পর্কিত স্থানকে নির্দেশ করে। ১. সিজ্জিন (Sijjin) সিজ্জিন হলো পাপীদের (কাফের, মুনাফিক ও দুরাচারীদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান। এটি সাত তলদেশের নীচে এক কারাগার বা অন্ধকার জগতে অবস্থিত বলে উল্লেখ রয়েছে। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:৭-৯) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْفُجَّارِ لَفِي سِجِّينٍ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا سِجِّينٌ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ" অর্থ: "না, পাপীদের আমলনামা সিজ্জিনে সংরক্ষিত। তুমি কি জানো, সিজ্জিন কী? এটি এক লিখিত দলিল।" সিজ্জিনকে একটি কারাগার, সংকীর্ণ স্থান, বা নিচের স্তরে অবস্থিত এক অন্ধকার দুনিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। ২. ইল্লিয়িন (Illiyin) ইল্লিয়িন হলো সৎকর্মশীলদের (মুমিন ও নেককারদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান । এটি সপ্তম আসমানের ওপরে সংরক্ষিত এক সম্মানিত স্থান। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:১৮-২১) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْأَبْرَارِ لَفِي عِلِّيِّينَ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا عِلِّيُّونَ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ ۝ يَش...

তারাবিহ সমগ্র - প্রথম আলো

রামাদান ২০২৪ উপলক্ষে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন - খতমে তারাবিহ'র সূরা গুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা'র লিংক  নিচে দেওয়া হলো।  লিংকে ক্লিক করলেই আপনাকে আলোচনা তে নিয়ে যাবে। তারাবিহ: ১ | একটি খুন ও গাভি নিয়ে বনি ইসরাইলের বাড়াবাড়ি তারাবিহ: ২ | নারীর মর্যাদা ও অধিকার এবং অলৌকিক তিন ঘটনা তারাবিহ: ৩ | যে ১৪ নারীকে বিয়ে করা হারাম তারাবিতে: ১২ | মহানবী (সা.)–এর আকাশভ্রমণ এবং আসহাবে কাহাফের কাহিনি

রেডমি নোট ৯ এর বিস্তারিত | Redmi Note 9 in Bangla

৩০ এপ্রিল, ২০২০ এ শাওমির ঘোষনা আসে এই ফোনটি নিয়ে। কিন্তু ফোনটি মার্কেটে আসে মে মাসের শেষের দিকে৷ করোনার কারনে ফোনটি বাংলাদেশে আসতে আরো সময় নেয়। বর্তমানে বাংলাদেশে আন অফিশিয়াল ভাবে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে৷ বাংলাদেশে অফিশিয়াল ভাবে এখনো ফোনটি আসার তথ্য নেয়৷ চলুন ফোনটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। শাওমি নোট সিরিজের ফোন বের করে এদের রেডমি নামে সাব ব্যান্ড৷ এদের কাজ হল এই নোট সিরিজ নিয়ে কাজ করা৷ প্রতিবছর নোট সিরিজের ১/২ টা ফোন বাজারে আসে। সাথে সেই ফোন গুলার বিভিন্ন ভার্সন (যেমন - র‍্যাম ও রমের ভিত্তিতে) বাজারে আসে। এই বছরও তারা রেডমি সিরিজের নোট ৯ বাজারে আনে। এই বছর হয়তো এই সিরিজের আরো ফোন বাজারে আসবে। ডিস্পলেঃ ফোনটির ডিসপ্লে সাইজ ৬.৫৩ ইঞ্চি। এতে আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। এই ফোনের ডিসপ্লে প্রটেকশন হিসেবে আছে গরিলা গ্লাস ফাইভ। স্ক্রিন আর ফোনের বডির অনুপাত প্রায় ৮৩.৫%। এই ফোনের ডিসপ্লে ফুলএইচডি মানে ১০৮০পি। এই ডিস্পলের দৈর্ঘ্য ১৯.৫ একক এবং প্রস্থ হল ৯ একক। এত বড় ফোনের কারনে এই ফোনের পিপি আই ডেনসিটি ৩৯৫। যা একটু কম। প্লাটফর্মঃ এই ফোনের অপারেটিং সিস্টেম এন্ড্রয়েড ১০ এবং এর...