সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

জাভা, স্প্রিং বুট এবং জেন এআই দিয়ে ইন্ডাস্ট্রি-লেভেল সফটওয়্যার তৈরি শেখার সুযোগ

Introduction

এই ভিডিওতে বর্তমান সময়ের সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন প্রযুক্তিগুলো নিয়ে একটি লাইভ কোর্সের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আমরা জানি এখনকার সময়ে এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার (বড় বড় কোম্পানির ব্যবহার করা সফটওয়্যার) তৈরিতে Java Spring Boot এবং ফ্রন্ট-এন্ডে React এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। এর সাথে এখন যুক্ত হয়েছে Generative AI। এই কোর্সে একদম শুরু থেকে কীভাবে এই সব প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রজেক্ট তৈরি করা যায়, তা শেখানো হবে। ১৫ই জানুয়ারি থেকে এই লাইভ ক্লাসগুলো শুরু হতে যাচ্ছে।


১. কোর্সের মূল বিষয় এবং সময়সূচী

এই পার্টে কোর্সের প্রাথমিক তথ্য যেমন—কবে শুরু হবে, কারা শিখতে পারবে এবং ক্লাসের সময় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

Reference: [00:28]

বিস্তারিত: কোর্সটি মূলত যারা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে চান তাদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি একটি ৪ মাসের কোর্স যা ১৫ই জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। ক্লাসগুলো হবে সপ্তাহে ৪ দিন (সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার) রাত ৯টা থেকে ১০:৩০টা পর্যন্ত। এর ফলে যারা চাকরি করছেন বা কলেজে পড়ছেন, তাদের জন্য সময় মেলাতে সুবিধা হবে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এখানে কোনো Prerequisites (আগে থেকে কোনো কিছু জানা থাকা) প্রয়োজন নেই। একদম শূন্য থেকে শেখানো শুরু হবে।


২. জাভা প্রোগ্রামিং (Java Fundamentals)

যেকোনো বড় ফ্রেমওয়ার্ক শেখার আগে মূল প্রোগ্রামিং ভাষা ভালোভাবে জানা জরুরি। এই অংশটি সেই ভিত্তির ওপর জোর দেয়।

Reference: [02:56]

বিস্তারিত: প্রথমে জাভার বেসিক থেকে শুরু করে অ্যাডভান্স বিষয়গুলো শেখানো হবে। এর মধ্যে থাকবে:

  • Oops (Object Oriented Programming): এটি হলো সফটওয়্যার তৈরির একটি বিশেষ পদ্ধতি যেখানে ডেটা এবং কাজকে একত্রে 'অবজেক্ট' হিসেবে দেখা হয়।

  • Collections Framework: অনেকগুলো ডেটাকে একসাথে সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখার টেকনিক।

  • Exception Handling: কোডিং করার সময় যদি কোনো ভুল বা এরর আসে, তা কীভাবে সামলাতে হয়।

  • Multi-threading: একই সাথে একাধিক কাজ করার ক্ষমতা।


৩. স্প্রিং বুট এবং জেন এআই (Spring Boot & Gen AI)

ব্যাক-এন্ড ডেভেলপমেন্টের জন্য বর্তমান বিশ্বের এক নম্বর ফ্রেমওয়ার্ক হলো স্প্রিং বুট।

Reference: [04:11]

বিস্তারিত: জাভা শেখার পর শেখানো হবে Spring Framework এবং Spring Boot। এখানে শেখানো হবে কীভাবে ডেটাবেসের সাথে কানেক্ট করতে হয় এবং Rest API (বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করার মাধ্যম) তৈরি করতে হয়। একটি বিশেষ অংশ হলো Spring AI। বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI এর চাহিদা অনেক, তাই আপনার তৈরি করা সফটওয়্যারে কীভাবে AI যুক্ত করবেন তা এখানে হাতে-কলমে দেখানো হবে।


৪. রিঅ্যাক্ট এবং ফুল-স্ট্যাক প্রজেক্ট (React & Full Stack)

সফটওয়্যারের যে অংশটি ব্যবহারকারীরা সরাসরি দেখে, তাকে ফ্রন্ট-এন্ড বলে। এখানে তার ওপর ফোকাস করা হয়েছে।

Reference: [04:55]

বিস্তারিত: ফ্রন্ট-এন্ডের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় লাইব্রেরি React শেখানো হবে। এর সাথে প্যারালালি (একই সাথে) JavaScript শেখার রিসোর্সও দেওয়া হবে। সবশেষে একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে তা AWS (Cloud Server) এ ডেপ্লয় বা লাইভ করা হবে। এছাড়াও মাইক্রোসার্ভিস (বড় সফটওয়্যারকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে তৈরি করা) এবং ইন্টারভিউ প্রিপারেশন নিয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।


কোডিং উদাহরণ (সহজ ব্যাখ্যাসহ)

স্প্রিং বুটে একটি সিম্পল API তৈরি করার কোড কেমন হতে পারে তার একটি ধারণা নিচে দেওয়া হলো:

Java

@RestController
public class HelloController {

    @GetMapping("/hello")
    public String sayHello() {
        return "Hello, Welcome to the Course!";
    }
} 

ব্যাখ্যা:

  • @RestController: এটি দিয়ে জাভাকে বলা হচ্ছে যে এই ক্লাসটি একটি ওয়েব সার্ভিস হিসেবে কাজ করবে।

  • @GetMapping("/hello"): যখন কেউ ব্রাউজারে /hello লিখে এন্টার দেবে, তখন এই ফাংশনটি কাজ করবে।

  • এটি মূলত একটি সহজ মেসেজ রিটার্ন করছে।


বিশ্লেষণ ও আমার মতামত (Analysis & Perception)

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মূলত এখানে বুঝাতে চেয়েছেন যে, বর্তমানে শুধু জাভা বা শুধু ফ্রন্ট-এন্ড জেনে ভালো চাকরি পাওয়া কঠিন। আপনাকে একজন Full Stack Developer হতে হবে যার AI সম্পর্কেও ধারণা আছে।

বাস্তবতা ও সম্ভাবনা: বর্তমানে এন্টারপ্রাইজ কোম্পানিগুলো এমন ডেভেলপার খুঁজছে যারা একই সাথে ব্যাক-এন্ড লজিক সামলাতে পারে এবং AI ইন্টিগ্রেশন করতে পারে। ৪ মাসের এই মডিউলটি বেশ গোছানো মনে হচ্ছে কারণ এটি লজিক (Java), ফ্রেমওয়ার্ক (Spring), ফ্রন্ট-এন্ড (React) এবং ক্লাউড (AWS) সবগুলোকে কভার করছে।

বিকল্প ও পরামর্শ:

  • যদি কেউ লাইভ কোর্স করতে না পারেন, তবে ইউটিউবে Telusko চ্যানেলের ফ্রি প্লেলিস্টগুলো দেখেও শিখতে পারেন।

  • ট্যাক্সোনমি (শ্রেণিবিন্যাস): ল্যাঙ্গুয়েজ (Java) -> ফ্রেমওয়ার্ক (Spring Boot) -> ফ্রন্ট-এন্ড (React) -> ক্লাউড ও এআই।

  • আমার মতে, রিফান্ড পলিসি থাকায় এটি নতুনদের জন্য বেশ রিস্ক-ফ্রি একটি সুযোগ। তবে জাভাস্ক্রিপ্ট যেহেতু জাভার চেয়ে আলাদা, তাই শিক্ষার্থীদের উচিত হবে আগে থেকেই জাভাস্ক্রিপ্টের একটু বেসিক ধারণা নিয়ে রাখা।

YouTube Link: http://www.youtube.com/watch?v=WupIeGcGCNY

[

Industry-Ready Java Spring Boot, React & Gen AI Live Course

Telusko · 4.4K views

](http://www.youtube.com/watch?v=WupIeGcGCNY)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সিজ্জিন (Sijjin) vs ইল্লিয়িন (Illiyin) পার্থক্য Difference

Sijjin (سِجِّين) এবং Illiyin (عِلِّيِّين) —এ দুটি শব্দ কুরআনে এসেছে এবং দুটোই মানুষের আমলনামা সংরক্ষণ সম্পর্কিত স্থানকে নির্দেশ করে। ১. সিজ্জিন (Sijjin) সিজ্জিন হলো পাপীদের (কাফের, মুনাফিক ও দুরাচারীদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান। এটি সাত তলদেশের নীচে এক কারাগার বা অন্ধকার জগতে অবস্থিত বলে উল্লেখ রয়েছে। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:৭-৯) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْفُجَّارِ لَفِي سِجِّينٍ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا سِجِّينٌ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ" অর্থ: "না, পাপীদের আমলনামা সিজ্জিনে সংরক্ষিত। তুমি কি জানো, সিজ্জিন কী? এটি এক লিখিত দলিল।" সিজ্জিনকে একটি কারাগার, সংকীর্ণ স্থান, বা নিচের স্তরে অবস্থিত এক অন্ধকার দুনিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। ২. ইল্লিয়িন (Illiyin) ইল্লিয়িন হলো সৎকর্মশীলদের (মুমিন ও নেককারদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান । এটি সপ্তম আসমানের ওপরে সংরক্ষিত এক সম্মানিত স্থান। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:১৮-২১) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْأَبْرَارِ لَفِي عِلِّيِّينَ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا عِلِّيُّونَ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ ۝ يَش...

তারাবিহ সমগ্র - প্রথম আলো

রামাদান ২০২৪ উপলক্ষে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন - খতমে তারাবিহ'র সূরা গুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা'র লিংক  নিচে দেওয়া হলো।  লিংকে ক্লিক করলেই আপনাকে আলোচনা তে নিয়ে যাবে। তারাবিহ: ১ | একটি খুন ও গাভি নিয়ে বনি ইসরাইলের বাড়াবাড়ি তারাবিহ: ২ | নারীর মর্যাদা ও অধিকার এবং অলৌকিক তিন ঘটনা তারাবিহ: ৩ | যে ১৪ নারীকে বিয়ে করা হারাম তারাবিতে: ১২ | মহানবী (সা.)–এর আকাশভ্রমণ এবং আসহাবে কাহাফের কাহিনি

রেডমি নোট ৯ এর বিস্তারিত | Redmi Note 9 in Bangla

৩০ এপ্রিল, ২০২০ এ শাওমির ঘোষনা আসে এই ফোনটি নিয়ে। কিন্তু ফোনটি মার্কেটে আসে মে মাসের শেষের দিকে৷ করোনার কারনে ফোনটি বাংলাদেশে আসতে আরো সময় নেয়। বর্তমানে বাংলাদেশে আন অফিশিয়াল ভাবে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে৷ বাংলাদেশে অফিশিয়াল ভাবে এখনো ফোনটি আসার তথ্য নেয়৷ চলুন ফোনটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। শাওমি নোট সিরিজের ফোন বের করে এদের রেডমি নামে সাব ব্যান্ড৷ এদের কাজ হল এই নোট সিরিজ নিয়ে কাজ করা৷ প্রতিবছর নোট সিরিজের ১/২ টা ফোন বাজারে আসে। সাথে সেই ফোন গুলার বিভিন্ন ভার্সন (যেমন - র‍্যাম ও রমের ভিত্তিতে) বাজারে আসে। এই বছরও তারা রেডমি সিরিজের নোট ৯ বাজারে আনে। এই বছর হয়তো এই সিরিজের আরো ফোন বাজারে আসবে। ডিস্পলেঃ ফোনটির ডিসপ্লে সাইজ ৬.৫৩ ইঞ্চি। এতে আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। এই ফোনের ডিসপ্লে প্রটেকশন হিসেবে আছে গরিলা গ্লাস ফাইভ। স্ক্রিন আর ফোনের বডির অনুপাত প্রায় ৮৩.৫%। এই ফোনের ডিসপ্লে ফুলএইচডি মানে ১০৮০পি। এই ডিস্পলের দৈর্ঘ্য ১৯.৫ একক এবং প্রস্থ হল ৯ একক। এত বড় ফোনের কারনে এই ফোনের পিপি আই ডেনসিটি ৩৯৫। যা একটু কম। প্লাটফর্মঃ এই ফোনের অপারেটিং সিস্টেম এন্ড্রয়েড ১০ এবং এর...