সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

SVM থিওরি এবং ইমপ্লিমেন্টেশন সহজ পাঠ

এই ভিডিওটি মূলত মেশিন লার্নিংয়ের একটি শক্তিশালী টুল Support Vector Machines (SVM) নিয়ে আলোচনা করে। সহজ কথায়, SVM হলো এমন একটি পদ্ধতি যা ডেটাকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করতে সাহায্য করে, যাতে আমরা পরবর্তীতে নতুন কোনো ডেটা আসলে সহজেই বুঝতে পারি সেটি কোন গ্রুপের।

Introduction

পুরো ভিডিওটি জুড়ে আলোচনা করা হয়েছে কীভাবে মেশিন লার্নিং মডেল ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ডেটাকে আলাদা করা যায়। বিশেষ করে SVM (সাপোর্ট ভেক্টর মেশিন) কীভাবে কাজ করে, এর গাণিতিক ভিত্তি কী এবং কোডের মাধ্যমে কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করা যায়, তা খুব সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এটি মূলত একটি 'সুপারভাইজড লার্নিং' পদ্ধতি, যেখানে আমরা কম্পিউটারকে আগে থেকেই শিখিয়ে দিই কোন ডেটা কোন ক্যাটাগরির।


পার্ট ১: SVM-এর মূল ধারণা (The Logic Behind SVM)

রেফারেন্স: [01:29:13]

SVM মূলত ডেটাসেটের মধ্যে একটি সীমানা বা 'বর্ডার' তৈরি করার চেষ্টা করে। ধরুন, আপনার কাছে কিছু গোল এবং কিছু চারকোনা পাথর আছে। SVM এমন একটি লাইন টানবে যা এই দুই ধরনের পাথরকে সবচেয়ে সুন্দরভাবে আলাদা করে।

  • সহজ ব্যাখ্যা: এই লাইনটিকে বলা হয় Hyperplane (হাইপারপ্লেন)।

  • Margin (মার্জিন): SVM-এর লক্ষ্য হলো এমন একটি লাইন টানা যার দুই পাশে যতটা সম্ভব খালি জায়গা থাকে। এই খালি জায়গাটুকুই হলো মার্জিন। মার্জিন যত বড় হবে, মডেলটি তত নির্ভুলভাবে কাজ করবে।


পার্ট ২: ডেটা স্কেলিং এবং প্রি-প্রসেসিং

রেফারেন্স: [01:32:45]

মডেলকে ডেটা দেওয়ার আগে সেটিকে সাজিয়ে নেওয়া খুব জরুরি। ভিডিওতে দেখানো হয়েছে কীভাবে ডেটাকে 'নরমালাইজ' বা 'স্কেল' করতে হয়।

  • কেন জরুরি? কোনো ডেটার মান যদি ১০০ হয় আর অন্যটির ১ হয়, তবে মডেলটি বড় মানটিকে বেশি গুরুত্ব দিতে পারে। স্কেলিং করলে সব ডেটা একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে চলে আসে (যেমন ০ থেকে ১ এর মধ্যে)।

পার্ট ৩: কোডিং এবং ইমপ্লিমেন্টেশন (Implementation in Python)

রেফারেন্স: [01:35:20]

এখানে দেখানো হয়েছে কীভাবে Python-এর sklearn লাইব্রেরি ব্যবহার করে খুব সহজে SVM মডেল তৈরি করা যায়।

Python

from sklearn.svm import SVC
from sklearn.metrics import classification_report

# ১. মডেল তৈরি করা (SVC মানে Support Vector Classification)
svm_model = SVC()

# ২. মডেলকে ট্রেইন করা (শেখানো)
svm_model.fit(X_train, y_train)

# ৩. প্রেডিকশন বা ভবিষ্যৎবাণী করা
y_pred = svm_model.predict(X_test)

# ৪. ফলাফল দেখা
print(classification_report(y_test, y_pred)) 

কোডের ব্যাখ্যা:

  • SVC(): এটি দিয়ে আমরা আমাদের SVM মেশিনটি তৈরি করলাম।

  • .fit(): এই ফাংশনটি ব্যবহার করে আমরা আমাদের ট্রেইনিং ডেটা দিয়ে মেশিনকে বোঝালাম যে কোন ইনপুটের জন্য আউটপুট কী হবে।

  • .predict(): মেশিনটি যা শিখল, তা দিয়ে সে অজানা ডেটা (X_test) পরীক্ষা করে ফলাফল দিচ্ছে।

  • classification_report: এটি আমাদের দেখাবে মেশিনটি কত শতাংশ নির্ভুলভাবে কাজ করছে।


কঠিন শব্দের সহজ ব্যাখ্যা:

১. Hyperplane (হাইপারপ্লেন): এটি একটি কাল্পনিক দেয়াল যা ডেটাগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করে। ২. Support Vectors (সাপোর্ট ভেক্টর): দেয়ালের সবচেয়ে কাছে থাকা ডেটা পয়েন্টগুলো, যাদের ওপর ভিত্তি করে দেয়ালটি তৈরি হয়। ৩. Kernel (কার্নেল): যখন ডেটাগুলো সাধারণ লাইন দিয়ে আলাদা করা যায় না, তখন কার্নেল ব্যবহার করে ডেটাকে উচ্চতর মাত্রায় (Dimensions) নিয়ে গিয়ে আলাদা করা হয়।


বিশ্লেষণ ও আমার ভাবনা (Analysis & Perception)

ভিডিওর এই অংশটি থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, ছোট বা মাঝারি আকারের জটিল ডেটাসেটের জন্য SVM অসাধারণ কাজ করে। কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এখানে মূলত দেখাতে চেয়েছেন যে, শুধু কোড লিখলেই হয় না, পেছনের গণিত (মার্জিন বড় করা) বুঝতে পারলে মডেলটি আরও ভালো বানানো সম্ভব।

বাস্তবতা ও পরামর্শ:

  • বাস্তবতা: বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে ডিপ লার্নিং ব্যবহার করা হলেও, ক্লাসিফিকেশন সমস্যার জন্য SVM এখনো খুব নির্ভরযোগ্য। বিশেষ করে যখন ডেটার পরিমাণ খুব বেশি নয় কিন্তু ফিচার (বৈশিষ্ট্য) অনেক বেশি।

  • বিকল্প: যদি আপনার ডেটাসেট অনেক বিশাল হয়, তবে SVM কিছুটা ধীরগতিতে কাজ করতে পারে। সেক্ষেত্রে Random Forest বা XGBoost ভালো বিকল্প হতে পারে।

  • পরামর্শ: শুরুতে 'Linear Kernel' ব্যবহার করে দেখুন। যদি দেখেন ফলাফল ভালো আসছে না, তবেই কেবল 'RBF Kernel' বা 'Polynomial Kernel' ট্রাই করুন। এটি আপনার প্রসেসিং পাওয়ার বাঁচাবে।

এই পদ্ধতিটি শিখলে আপনি সহজেই ক্যান্সার ডিটেকশন, স্প্যাম ইমেইল শনাক্তকরণ বা হাতের লেখা চেনার মতো জটিল প্রজেক্টগুলো অনায়াসেই করতে পারবেন।

[

Machine Learning for Everybody – Full Course

freeCodeCamp.org · 9.4M views

](http://www.youtube.com/watch?v=i_LwzRVP7bg)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সিজ্জিন (Sijjin) vs ইল্লিয়িন (Illiyin) পার্থক্য Difference

Sijjin (سِجِّين) এবং Illiyin (عِلِّيِّين) —এ দুটি শব্দ কুরআনে এসেছে এবং দুটোই মানুষের আমলনামা সংরক্ষণ সম্পর্কিত স্থানকে নির্দেশ করে। ১. সিজ্জিন (Sijjin) সিজ্জিন হলো পাপীদের (কাফের, মুনাফিক ও দুরাচারীদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান। এটি সাত তলদেশের নীচে এক কারাগার বা অন্ধকার জগতে অবস্থিত বলে উল্লেখ রয়েছে। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:৭-৯) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْفُجَّارِ لَفِي سِجِّينٍ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا سِجِّينٌ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ" অর্থ: "না, পাপীদের আমলনামা সিজ্জিনে সংরক্ষিত। তুমি কি জানো, সিজ্জিন কী? এটি এক লিখিত দলিল।" সিজ্জিনকে একটি কারাগার, সংকীর্ণ স্থান, বা নিচের স্তরে অবস্থিত এক অন্ধকার দুনিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। ২. ইল্লিয়িন (Illiyin) ইল্লিয়িন হলো সৎকর্মশীলদের (মুমিন ও নেককারদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান । এটি সপ্তম আসমানের ওপরে সংরক্ষিত এক সম্মানিত স্থান। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:১৮-২১) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْأَبْرَارِ لَفِي عِلِّيِّينَ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا عِلِّيُّونَ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ ۝ يَش...

তারাবিহ সমগ্র - প্রথম আলো

রামাদান ২০২৪ উপলক্ষে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন - খতমে তারাবিহ'র সূরা গুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা'র লিংক  নিচে দেওয়া হলো।  লিংকে ক্লিক করলেই আপনাকে আলোচনা তে নিয়ে যাবে। তারাবিহ: ১ | একটি খুন ও গাভি নিয়ে বনি ইসরাইলের বাড়াবাড়ি তারাবিহ: ২ | নারীর মর্যাদা ও অধিকার এবং অলৌকিক তিন ঘটনা তারাবিহ: ৩ | যে ১৪ নারীকে বিয়ে করা হারাম তারাবিতে: ১২ | মহানবী (সা.)–এর আকাশভ্রমণ এবং আসহাবে কাহাফের কাহিনি

রেডমি নোট ৯ এর বিস্তারিত | Redmi Note 9 in Bangla

৩০ এপ্রিল, ২০২০ এ শাওমির ঘোষনা আসে এই ফোনটি নিয়ে। কিন্তু ফোনটি মার্কেটে আসে মে মাসের শেষের দিকে৷ করোনার কারনে ফোনটি বাংলাদেশে আসতে আরো সময় নেয়। বর্তমানে বাংলাদেশে আন অফিশিয়াল ভাবে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে৷ বাংলাদেশে অফিশিয়াল ভাবে এখনো ফোনটি আসার তথ্য নেয়৷ চলুন ফোনটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। শাওমি নোট সিরিজের ফোন বের করে এদের রেডমি নামে সাব ব্যান্ড৷ এদের কাজ হল এই নোট সিরিজ নিয়ে কাজ করা৷ প্রতিবছর নোট সিরিজের ১/২ টা ফোন বাজারে আসে। সাথে সেই ফোন গুলার বিভিন্ন ভার্সন (যেমন - র‍্যাম ও রমের ভিত্তিতে) বাজারে আসে। এই বছরও তারা রেডমি সিরিজের নোট ৯ বাজারে আনে। এই বছর হয়তো এই সিরিজের আরো ফোন বাজারে আসবে। ডিস্পলেঃ ফোনটির ডিসপ্লে সাইজ ৬.৫৩ ইঞ্চি। এতে আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। এই ফোনের ডিসপ্লে প্রটেকশন হিসেবে আছে গরিলা গ্লাস ফাইভ। স্ক্রিন আর ফোনের বডির অনুপাত প্রায় ৮৩.৫%। এই ফোনের ডিসপ্লে ফুলএইচডি মানে ১০৮০পি। এই ডিস্পলের দৈর্ঘ্য ১৯.৫ একক এবং প্রস্থ হল ৯ একক। এত বড় ফোনের কারনে এই ফোনের পিপি আই ডেনসিটি ৩৯৫। যা একটু কম। প্লাটফর্মঃ এই ফোনের অপারেটিং সিস্টেম এন্ড্রয়েড ১০ এবং এর...