সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Java Stream API-র peek() মেথড ব্যবহারের সঠিক নিয়ম


Based on the transcript, the video discusses:

  • Java Stream API peek() method.

  • Its main purpose is for debugging.

  • It takes a Consumer and returns elements without changing them.

  • Warnings about using it for side effects, especially in parallel streams.

  • Advice to avoid using it in production environments.

Following your instructions, I'll generate the response in Bengali. I'll include the sections you've requested.

  1. Heading 1 Title.

  2. Heading 6 Tags.

  3. Introduction.

  4. Topics with headings.

  5. Reference (video link).

  6. Breakdown/details for beginners.

  7. My thinking/AI analysis.

  8. Difficult words explanation.

  9. Coding snippet and explanation.

  10. Analysis, thinking, possibilities, creator's goal, and suggestions.

I will make sure it is informal and easy to understand. I will use Bengali as requested.

Let's begin.

Introduction

আমরা যারা জাভা প্রোগ্রামিং শিখছি বা কোডিং করি, তাদের জন্য 'Stream API' খুব শক্তিশালী একটা টুল। এই টুলের মধ্যে peek() নামে একটা মেথড আছে। আজকের এই ব্লগে আমরা জানব এই মেথডটা আসলে কী কাজে লাগে, কখন এটা ব্যবহার করা উচিত আর কেনই বা এটা প্রোডাকশন এনভায়রনমেন্টে (অর্থাৎ মেইন সার্ভারে যখন কোড চলে) ব্যবহার করা একদমই উচিত নয়।

Stream.peek() কী এবং কেন?

এই ভিডিওতে আমরা জানব জাভা কোডিংয়ের এই বিশেষ টিপসটি সম্পর্কে: https://www.youtube.com/shorts/_leDdcjP7S0

ভিডিওটিতে বলা হয়েছে যে peek() মেথডটি মূলত ডিবাগিংয়ের (Debugging) জন্য তৈরি করা হয়েছে। ডিবাগিং মানে হলো কোডের ভেতরে কোন জায়গায় কী হচ্ছে সেটা দেখা বা ভুল খুঁজে বের করা। আপনি যখন কোনো স্ট্রিম প্রসেস করছেন, তখন প্রতিটি ডেটা কোন অবস্থায় আছে সেটা দেখার জন্য peek() মেথডটি খুব কার্যকর। এটি একটি Consumer নেয় এবং স্ট্রিমের ডেটাগুলো কোনো পরিবর্তন না করেই সামনে পাঠিয়ে দেয়।

আমার ভাবনা: অনেক সময় আমরা ভাবি যে peek() ব্যবহার করে ডাটা পরিবর্তন করব কিন্তু সেটা একদমই ভুল কাজ। জাভা এটাকে শুধু দেখার জন্য বানিয়েছে, পরিবর্তন করার জন্য নয়।

কেন এটি প্রোডাকশন কোডে ব্যবহার করবেন না?

ভিডিওতে সতর্ক করা হয়েছে যে, প্রোডাকশন কোডে বা মেইন সফটওয়্যারে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। এর মূল কারণ হলো এটি আপনার ডাটার সিঙ্ক্রোনাইজেশন (Synchronization) নষ্ট করতে পারে। বিশেষ করে যদি আপনি সমান্তরাল স্ট্রিম (Parallel Stream) ব্যবহার করেন, তবে peek() মেথডটি ডাটার তালগোল পাকিয়ে ফেলতে পারে। এতে আপনার অ্যাপ্লিকেশনের পারফরম্যান্স অনেক কমে যেতে পারে।

কঠিন শব্দের ব্যাখ্যা:

  • Parallel Stream (প্যারালাল স্ট্রিম): যখন অনেকগুলো কাজ একসাথে একাধিক প্রসেসরের মাধ্যমে করার চেষ্টা করা হয়।

  • Synchronization (সিঙ্ক্রোনাইজেশন): একাধিক কাজ যখন একসাথে চলে তখন যেন তারা একে অন্যের কাজে বাধা না দেয় বা ডেটা নষ্ট না করে সেই নিয়ম বজায় রাখা।

কোডিং উদাহরণ

নিচে একটি ছোট উদাহরণ দেওয়া হলো যা দিয়ে বুঝবেন peek() কীভাবে কাজ করে।

Java

import java.util.List;
import java.util.stream.Collectors;

public class Main {
    public static void main(String[] args) {
        List<String> items = List.of("Apple", "Banana", "Cherry");

        List<String> result = items.stream()
                .peek(item -> System.out.println("Processing item: " + item)) // এটি কেবল ডিবাগ করার জন্য
                .map(String::toUpperCase) // ডাটা পরিবর্তনের জন্য map ব্যবহার করুন
                .collect(Collectors.toList());

        System.out.println("Final Result: " + result);
    }
} 

ব্যাখ্যা:

  • এখানে .peek(item -> System.out.println("Processing item: " + item)) অংশটি দিয়ে আমরা শুধু দেখছি স্ট্রিমের ভেতরে কোন কোন ফলগুলো যাচ্ছে। এটি ডেটা পরিবর্তন করছে না।

  • .map(String::toUpperCase) দিয়ে আমরা ফলগুলোর নাম বড় হাতের অক্ষরে রূপান্তর করছি।

  • এই কোডটি রান করলে আপনি কনসোলে দেখতে পাবেন প্রতিটি আইটেম প্রসেস হওয়ার সময় একটি লেখা আসছে, যা আপনাকে কোডটি বুঝতে সাহায্য করবে।

বিশ্লেষণ ও আমার মতামত

ভিডিওর নির্মাতা আমাদের বোঝাতে চেয়েছেন যে আমাদের সবসময় জাভা ডকুমেন্টেশন মেনে চলা উচিত। তারা স্পস্টভাবে বলে দিয়েছেন যে peek() মূলত ডিবাগিংয়ের সাপোর্ট হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।

আমার রিয়েলিটি চেক: ১. বিকল্প চিন্তা: যদি আপনাকে ডেটা পরিবর্তন করতে হয় তবে অবশ্যই map() মেথড ব্যবহার করবেন। ২. পরামর্শ: যদি আপনার কোডে কোনো বাগ বা ভুল থাকে তবে আপনি সাময়িকভাবে peek() ব্যবহার করে ডাটা চেক করতে পারেন। তবে কোডটি মেইন সার্ভারে পাঠানোর আগে অবশ্যই peek() মেথডটি সরিয়ে ফেলুন। ৩. উদ্দেশ্য: কোডটি সুন্দর এবং কার্যকর রাখার জন্য সঠিক মেথড ব্যবহার করা জরুরি। যত্রতত্র peek() ব্যবহার করলে কোডটি অন্য কারো কাছে বুঝতে খুব কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

সবশেষে বলা যায়, peek() আপনার বন্ধু হতে পারে যদি আপনি শুধু ডাটা "উঁকি" দিয়ে দেখতে চান (উঁকি দেওয়ার ইংরেজিই peek)। কিন্তু একে দিয়ে মেইন কাজ করানোর চেষ্টা করবেন না।

[

How can you use Stream.peek()? - Cracking the Java Coding Interview #javacoding #javatips

Java · 298 views

](http://www.youtube.com/watch?v=_leDdcjP7S0)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সিজ্জিন (Sijjin) vs ইল্লিয়িন (Illiyin) পার্থক্য Difference

Sijjin (سِجِّين) এবং Illiyin (عِلِّيِّين) —এ দুটি শব্দ কুরআনে এসেছে এবং দুটোই মানুষের আমলনামা সংরক্ষণ সম্পর্কিত স্থানকে নির্দেশ করে। ১. সিজ্জিন (Sijjin) সিজ্জিন হলো পাপীদের (কাফের, মুনাফিক ও দুরাচারীদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান। এটি সাত তলদেশের নীচে এক কারাগার বা অন্ধকার জগতে অবস্থিত বলে উল্লেখ রয়েছে। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:৭-৯) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْفُجَّارِ لَفِي سِجِّينٍ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا سِجِّينٌ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ" অর্থ: "না, পাপীদের আমলনামা সিজ্জিনে সংরক্ষিত। তুমি কি জানো, সিজ্জিন কী? এটি এক লিখিত দলিল।" সিজ্জিনকে একটি কারাগার, সংকীর্ণ স্থান, বা নিচের স্তরে অবস্থিত এক অন্ধকার দুনিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। ২. ইল্লিয়িন (Illiyin) ইল্লিয়িন হলো সৎকর্মশীলদের (মুমিন ও নেককারদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান । এটি সপ্তম আসমানের ওপরে সংরক্ষিত এক সম্মানিত স্থান। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:১৮-২১) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْأَبْرَارِ لَفِي عِلِّيِّينَ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا عِلِّيُّونَ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ ۝ يَش...

তারাবিহ সমগ্র - প্রথম আলো

রামাদান ২০২৪ উপলক্ষে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন - খতমে তারাবিহ'র সূরা গুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা'র লিংক  নিচে দেওয়া হলো।  লিংকে ক্লিক করলেই আপনাকে আলোচনা তে নিয়ে যাবে। তারাবিহ: ১ | একটি খুন ও গাভি নিয়ে বনি ইসরাইলের বাড়াবাড়ি তারাবিহ: ২ | নারীর মর্যাদা ও অধিকার এবং অলৌকিক তিন ঘটনা তারাবিহ: ৩ | যে ১৪ নারীকে বিয়ে করা হারাম তারাবিতে: ১২ | মহানবী (সা.)–এর আকাশভ্রমণ এবং আসহাবে কাহাফের কাহিনি

রেডমি নোট ৯ এর বিস্তারিত | Redmi Note 9 in Bangla

৩০ এপ্রিল, ২০২০ এ শাওমির ঘোষনা আসে এই ফোনটি নিয়ে। কিন্তু ফোনটি মার্কেটে আসে মে মাসের শেষের দিকে৷ করোনার কারনে ফোনটি বাংলাদেশে আসতে আরো সময় নেয়। বর্তমানে বাংলাদেশে আন অফিশিয়াল ভাবে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে৷ বাংলাদেশে অফিশিয়াল ভাবে এখনো ফোনটি আসার তথ্য নেয়৷ চলুন ফোনটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। শাওমি নোট সিরিজের ফোন বের করে এদের রেডমি নামে সাব ব্যান্ড৷ এদের কাজ হল এই নোট সিরিজ নিয়ে কাজ করা৷ প্রতিবছর নোট সিরিজের ১/২ টা ফোন বাজারে আসে। সাথে সেই ফোন গুলার বিভিন্ন ভার্সন (যেমন - র‍্যাম ও রমের ভিত্তিতে) বাজারে আসে। এই বছরও তারা রেডমি সিরিজের নোট ৯ বাজারে আনে। এই বছর হয়তো এই সিরিজের আরো ফোন বাজারে আসবে। ডিস্পলেঃ ফোনটির ডিসপ্লে সাইজ ৬.৫৩ ইঞ্চি। এতে আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। এই ফোনের ডিসপ্লে প্রটেকশন হিসেবে আছে গরিলা গ্লাস ফাইভ। স্ক্রিন আর ফোনের বডির অনুপাত প্রায় ৮৩.৫%। এই ফোনের ডিসপ্লে ফুলএইচডি মানে ১০৮০পি। এই ডিস্পলের দৈর্ঘ্য ১৯.৫ একক এবং প্রস্থ হল ৯ একক। এত বড় ফোনের কারনে এই ফোনের পিপি আই ডেনসিটি ৩৯৫। যা একটু কম। প্লাটফর্মঃ এই ফোনের অপারেটিং সিস্টেম এন্ড্রয়েড ১০ এবং এর...