সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পাইথন এনভায়রনমেন্ট সেটআপ: অ্যানাকোন্ডা এবং জুপিটার ল্যাব ইনস্টলেশন

Introduction

যেকোনো প্রোগ্রামিং শেখার আগে আমাদের কম্পিউটারে সেই কোডগুলো চালানোর জন্য একটা সুন্দর পরিবেশ বা 'Environment' তৈরি করে নিতে হয়। এই ভিডিওতে প্রশান্ত সাহু দেখাচ্ছেন কীভাবে ডেটা সায়েন্স এবং AI নিয়ে কাজ করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় টুল Anaconda এবং Jupyter Lab আপনার সিস্টেমে সেটআপ করবেন। সহজ কথায়, এটি আপনার কম্পিউটারে কোডিং করার জন্য একটি ল্যাবরেটরি তৈরি করার মতো।


পার্ট ১: অ্যানাকোন্ডা (Anaconda) কী এবং কেন এটি প্রয়োজন?

ভিডিও রেফারেন্স: [05:47]

অ্যানাকোন্ডা হলো পাইথনের একটি ডিস্ট্রিবিউশন যা মূলত ডেটা সায়েন্স এবং মেশিন লার্নিংয়ের কাজের জন্য বানানো হয়েছে। আলাদা আলাদা ভাবে পাইথন এবং তার লাইব্রেরিগুলো ইনস্টল করার চেয়ে অ্যানাকোন্ডা ব্যবহার করা অনেক সহজ কারণ এতে প্রয়োজনীয় সব টুল আগে থেকেই থাকে।

  • সহজ ব্যাখ্যা (Beginner Level): মনে করুন আপনি বিরিয়ানি রান্না করবেন। এখন আপনি চাল, মাংস, মশলা আলাদা আলাদা দোকান থেকে না কিনে যদি এমন একটা 'প্যাকেজ' পান যেখানে রান্নার হাড়ি থেকে শুরু করে সব উপকরণ একসাথে আছে, তবে কাজটা সহজ হয় না? অ্যানাকোন্ডা হলো সেই প্যাকেজ।

পার্ট ২: অ্যানাকোন্ডা ডাউনলোড এবং ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া

ভিডিও রেফারেন্স: [05:52]

ধাপসমূহ:

  1. প্রথমে গুগলে গিয়ে "Anaconda" লিখে সার্চ দিতে হবে।

  2. তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড পেজে যেতে হবে। [06:06]

  3. রেজিস্ট্রেশন স্কিপ করে সরাসরি আপনার অপারেটিং সিস্টেম (Windows/Mac/Linux) অনুযায়ী ইনস্টলারটি ডাউনলোড করুন। ভিডিওতে উইন্ডোজের জন্য ৬৪-বিট ইনস্টলার ব্যবহার করা হয়েছে। [06:19]

  4. ডাউনলোড শেষ হলে ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করে Installation Wizard চালু করতে হবে। [06:44]

  5. ইনস্টল করার সময় "Just Me" অপশনটি সিলেক্ট করা ভালো। [07:00]

  6. ডিফল্ট পাথ (যেখানে ফাইল সেভ হবে) এবং অন্যান্য অপশনগুলো যেমন আছে তেমন রেখেই 'Install' বাটনে ক্লিক করতে হবে। [07:20]

  • কঠিন শব্দ ও ব্যাখ্যা:

    • Operating System (অপারেটিং সিস্টেম): আপনার কম্পিউটার যে সফটওয়্যারের মাধ্যমে চলে (যেমন- Windows 10 বা Windows 11)।

    • 64-bit Installer: এটি আপনার কম্পিউটারের প্রসেসরের কাজের ধরন অনুযায়ী একটি ফাইল টাইপ। আধুনিক সব কম্পিউটারই এখন ৬৪-বিটের হয়।


পার্ট ৩: জুপিটার ল্যাব (Jupyter Lab) সেটআপ

ভিডিও রেফারেন্স: [05:21]

ইনস্টলেশন শেষ হওয়ার পর আপনি Jupyter Lab বা Jupyter Notebook ব্যবহার করতে পারবেন। এটি হলো এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি আপনার পাইথন কোড লিখবেন এবং সাথে সাথেই তার ফলাফল দেখতে পাবেন।

  • কিভাবে চালু করবেন? [19:51] আপনার উইন্ডোজ সার্চ বারে গিয়ে "Jupyter Notebook" লিখুন এবং অ্যাপটি রান করুন। এটি আপনার ডিফল্ট ব্রাউজারে (যেমন- Chrome বা Edge) একটি উইন্ডো খুলবে যেখানে আপনি আপনার কম্পিউটারের সব ফোল্ডার দেখতে পাবেন।

পার্ট ৪: কোডিং এর হাতেখড়ি (Variable Declaration)

ভিডিও রেফারেন্স: [17:52]

জুপিটার নোটবুক চালু করার পর আপনি কোড লেখা শুরু করতে পারেন। ভিডিওতে দেখানো হয়েছে কীভাবে ভেরিয়েবল বা মান জমা রাখার ঘর তৈরি করতে হয়।

কোড উদাহরণ:

Python

# একটি ভেরিয়েবলে মান রাখা
A = 50

# এক ভেরিয়েবলের মান অন্যটিতে রাখা
B = A

# প্রিন্ট করে দেখা
print(B) 

ব্যাখ্যা: এখানে A = 50 মানে হলো আমরা 'A' নামের একটি বাক্সে ৫০ সংখ্যাটি রাখলাম। এরপর B = A লিখে আমরা 'B' নামক বাক্সেও সেই একই মান অর্থাৎ ৫০ রাখলাম। এটি খুবই সহজ এবং কার্যকর।


পার্ট ৫: অ্যানালাইসিস এবং লেখকের ভাবনা

মূল উদ্দেশ্য: কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বোঝাতে চেয়েছেন যে কোডিং শুরু করার আগে এনভায়রনমেন্ট সেটআপ করাটা একটা বড় বাধা মনে হতে পারে, কিন্তু অ্যানাকোন্ডা ব্যবহার করলে এটি একদম পানিভাতের মতো সহজ হয়ে যায়।

বাস্তবসম্মত ধারণা ও পরামর্শ:

  • কেন জুপিটার ল্যাব? বড় কোনো সফটওয়্যার বানানোর চেয়ে ডেটা এনালাইসিসের জন্য জুপিটার ল্যাব সেরা কারণ এখানে কোডের প্রতিটি লাইন আলাদা করে রান করে ফলাফল চেক করা যায়।

  • বিকল্প ব্যবস্থা: যদি আপনার কম্পিউটারের কনফিগারেশন কম হয় বা ইনস্টল করতে ঝামেলা হয়, তবে আপনি ইন্টারনেটে সরাসরি Google Colab ব্যবহার করতে পারেন। সেখানে কোনো কিছু ইনস্টল না করেই ব্রাউজারে পাইথন কোড লেখা যায়।

  • সতর্কতা: ইনস্টল করার সময় আপনার 'C' ড্রাইভে পর্যাপ্ত জায়গা আছে কি না তা নিশ্চিত করুন, কারণ অ্যানাকোন্ডা বেশ বড় একটি প্যাকেজ। [07:12]

সামগ্রিকভাবে, এই টিউটোরিয়ালটি একজন বিগিনারের জন্য পাইথনের জগতে প্রবেশ করার একদম সঠিক শুরুর ধাপ।

[

Python Essentials for AI Agents – Tutorial

freeCodeCamp.org · 71K views

](http://www.youtube.com/watch?v=UsfpzxZNsPo)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সিজ্জিন (Sijjin) vs ইল্লিয়িন (Illiyin) পার্থক্য Difference

Sijjin (سِجِّين) এবং Illiyin (عِلِّيِّين) —এ দুটি শব্দ কুরআনে এসেছে এবং দুটোই মানুষের আমলনামা সংরক্ষণ সম্পর্কিত স্থানকে নির্দেশ করে। ১. সিজ্জিন (Sijjin) সিজ্জিন হলো পাপীদের (কাফের, মুনাফিক ও দুরাচারীদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান। এটি সাত তলদেশের নীচে এক কারাগার বা অন্ধকার জগতে অবস্থিত বলে উল্লেখ রয়েছে। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:৭-৯) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْفُجَّارِ لَفِي سِجِّينٍ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا سِجِّينٌ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ" অর্থ: "না, পাপীদের আমলনামা সিজ্জিনে সংরক্ষিত। তুমি কি জানো, সিজ্জিন কী? এটি এক লিখিত দলিল।" সিজ্জিনকে একটি কারাগার, সংকীর্ণ স্থান, বা নিচের স্তরে অবস্থিত এক অন্ধকার দুনিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। ২. ইল্লিয়িন (Illiyin) ইল্লিয়িন হলো সৎকর্মশীলদের (মুমিন ও নেককারদের) আমলনামা সংরক্ষণের স্থান । এটি সপ্তম আসমানের ওপরে সংরক্ষিত এক সম্মানিত স্থান। সূরা আল-মুতাফফিফীন (৮৩:১৮-২১) তে বলা হয়েছে: "كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْأَبْرَارِ لَفِي عِلِّيِّينَ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا عِلِّيُّونَ ۝ كِتَابٌ مَرْقُومٌ ۝ يَش...

তারাবিহ সমগ্র - প্রথম আলো

রামাদান ২০২৪ উপলক্ষে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন - খতমে তারাবিহ'র সূরা গুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা'র লিংক  নিচে দেওয়া হলো।  লিংকে ক্লিক করলেই আপনাকে আলোচনা তে নিয়ে যাবে। তারাবিহ: ১ | একটি খুন ও গাভি নিয়ে বনি ইসরাইলের বাড়াবাড়ি তারাবিহ: ২ | নারীর মর্যাদা ও অধিকার এবং অলৌকিক তিন ঘটনা তারাবিহ: ৩ | যে ১৪ নারীকে বিয়ে করা হারাম তারাবিতে: ১২ | মহানবী (সা.)–এর আকাশভ্রমণ এবং আসহাবে কাহাফের কাহিনি

রেডমি নোট ৯ এর বিস্তারিত | Redmi Note 9 in Bangla

৩০ এপ্রিল, ২০২০ এ শাওমির ঘোষনা আসে এই ফোনটি নিয়ে। কিন্তু ফোনটি মার্কেটে আসে মে মাসের শেষের দিকে৷ করোনার কারনে ফোনটি বাংলাদেশে আসতে আরো সময় নেয়। বর্তমানে বাংলাদেশে আন অফিশিয়াল ভাবে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে৷ বাংলাদেশে অফিশিয়াল ভাবে এখনো ফোনটি আসার তথ্য নেয়৷ চলুন ফোনটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। শাওমি নোট সিরিজের ফোন বের করে এদের রেডমি নামে সাব ব্যান্ড৷ এদের কাজ হল এই নোট সিরিজ নিয়ে কাজ করা৷ প্রতিবছর নোট সিরিজের ১/২ টা ফোন বাজারে আসে। সাথে সেই ফোন গুলার বিভিন্ন ভার্সন (যেমন - র‍্যাম ও রমের ভিত্তিতে) বাজারে আসে। এই বছরও তারা রেডমি সিরিজের নোট ৯ বাজারে আনে। এই বছর হয়তো এই সিরিজের আরো ফোন বাজারে আসবে। ডিস্পলেঃ ফোনটির ডিসপ্লে সাইজ ৬.৫৩ ইঞ্চি। এতে আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। এই ফোনের ডিসপ্লে প্রটেকশন হিসেবে আছে গরিলা গ্লাস ফাইভ। স্ক্রিন আর ফোনের বডির অনুপাত প্রায় ৮৩.৫%। এই ফোনের ডিসপ্লে ফুলএইচডি মানে ১০৮০পি। এই ডিস্পলের দৈর্ঘ্য ১৯.৫ একক এবং প্রস্থ হল ৯ একক। এত বড় ফোনের কারনে এই ফোনের পিপি আই ডেনসিটি ৩৯৫। যা একটু কম। প্লাটফর্মঃ এই ফোনের অপারেটিং সিস্টেম এন্ড্রয়েড ১০ এবং এর...